Slider[Style1]

Become a Fan

Find us on Facebook

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Recent Posts

Subscribe

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

Carousel

পুরুষের স্বাস্থ্য

পুরুষের স্বাস্থ্য

পুরুষের স্বাস্থ্য

Followers

Latest News

Popular Posts

অলস চোখ থেকে শিশুর অন্ধত্ব

আমাদের চোখ কোনো জিনিসের ছবি তুলে স্মায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠিয়ে দেয়। মস্তিষ্ক তখন বলে দেয় এটা কিসের বা কার ছবি বা এটির রং, আকৃতি কেমন। যদি এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে, তাহলে বুঝতে হবে, চোখে সমস্যা আছে। অলস চোখ বা এমব্লায়োওপিয়া চোখের একটি মারাত্মক রোগ, যা প্রধানত শিশুর চোখের ছবি গ্রহণের ক্ষমতাকে ব্যাহত করে। ফলে শিশুটি ওই চোখ দিয়ে কিছুই দেখতে পায় না। যদি নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে শিশুটির দৃষ্টিশক্তি আর কখনোই ফিরে আসে না।
অলস চোখ কী
চোখের সবচেয়ে ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ আবরণটির নাম হচ্ছে রেটিনা। এটি আলোক সংবেদনশীল কিছু কোষ দিয়ে গঠিত। আমরা যা কিছুই দেখি না কেন, তার একটি ছবি রেটিনায় তৈরি হয়। রেটিনার আলোক সংবেদনশীল কোষগুলো শিশুর জ্নের পর চোখে আলো ঢুকে সেই আলোর উপস্থিতিতে পরিপূর্ণতা লাভ করতে থাকে। জ্নের পর যদি চোখে ঠিকমতো আলো না ঢোকে, তাহলে রেটিনার আলোক সংবেদনশীল কোষগুলোর বৃদ্ধি পরিপূর্ণভাবে হয় না। ফলে ওই চোখের দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং কাজ না করার কারণে সেটি অলস চোখে পরিণত হয়।
কারণ
এ রোগের প্রধান ও একমাত্র কারণ হচ্ছে শিশুর চোখে ঠিকমতো আলো প্রবেশ করতে না পারা। আলো প্রবেশ না করার কারণ হলো-
-- জ্ন থেকে বা জ্নের পর শিশুর চোখে ছানি হলে। ছানির কারণে চোখের লেন্স ঘোলা হয়ে যায়, ফলে চোখে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ করে না। ফলে রেটিনার আলোক সংবেদনশীল কোষগুলোর বৃদ্ধি হয় না। যে চোখে ছানি আসে, শিশু তাকে কাজে লাগায় না, ফলে চোখটি অলস হয়ে যায়। দুই চোখে ছানি হলে দুটিই অলস হয়ে যায়।
-- জ্ন থেকে অথবা জ্নের পর চোখের আকৃতিগত পরিবর্তনের কারণে দৃষ্টিশক্তি কম থাকে। ফলে আলো ঢুকতে বাধা পায়। যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে ধীরে ধীরে চোখ অলস হতে থাকে।
-- টেরা চোখা মানুষ সব সময় দুটি চোখ দিয়ে একটি জিনিস দেখে, কিন্তু চোখ টেরা থাকলে শিশু ভালো চোখটি দিয়ে সব সময় দেখার চেষ্টা করে, টেরা চোখটি কাজে লাগায় না। ফলে টেরা চোখটি অলস হয়ে যায়।
--জ্নগতভাবে চোখের পাতা নিচের দিকে পড়ে গেলে চোখের যে স্বচ্ছ অংশ (কর্নিয়া) দিয়ে আলো প্রবেশ করে, তা যদি ঢেকে যায়, তাহলে পর্যাপ্ত আলো চোখে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে চোখের রেটিনার আলোক সংবেদনশীল কোষগুলোর বৃদ্ধি হয় না এবং দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। যে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, শিশুরা সেটিকে ব্যবহার না করে সব সময় ভালো চোখটি ব্যবহার করে; ফলে অন্যটি অলস চোখে পরিণত হয়।
যেসব সমস্যা হয়
-- অলস লোকের যেমন কোনো কাজ থাকে না, তেমনি অলস চোখেরও কাজ থাকে না। অলস চোখের কারণে সৃষ্ট প্রধান সমস্যা হচ্ছে টেরা চোখ।
টেরা চোখঃ চোখ টেরা হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে অলস চোখ। দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার ফলে যে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে, শিশু সেটি ব্যবহার করে না। ফলে সে চোখটি যেকোনো এক দিকে বেঁকে যায়। নির্দিষ্ট একটি বয়সসীমার মধ্যে চিকিৎসার মাধ্যমে অলস চোখটি সচল করে তুললে টেরা চোখ ভালো হয়ে যায়।
চিকিৎসা
-- যে কারণগুলোর জন্য চোখ অলস হয়, সেগুলোর চিকিৎসা করালে অলস চোখ ভালো করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাত বছরের কম বয়সী শিশুকে চিকিৎসা করালে সম্পূর্ণ সুস্থ হয় ওঠে।
-- জ্নগতভাবে যদি শিশুর চোখে ছানি থাকে, তাহলে দ্রুত ছানির অপারেশন করাতে হবে। বয়স সাত বছর পেরিয়ে গেলে অপারেশন করেও তেমন ফল পাওয়া যায় না। ধরা যাক, পাঁচ বছর বয়সের একটি শিশুর জ্নগত ছানি অপারেশন করে চোখে নতুন লেন্স লাগিয়ে দেওয়া হলো, তার পরও সে ভালো দেখছে না। এর কারণ হলো-তার চোখটি অলস হয়ে গেছে। তখন তার ভালো চোখটি কাপড় দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়। অলস চোখটিকে দিয়ে বেশি করে কাজ করানো হয়। বেশি কাজ করানোর জন্য চোখের রেটিনার আলোক সংবেদনশীল কোষগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
-- জ্নগতভাবে শিশুর দৃষ্টিশক্তি কম থাকলে খুব দ্রুত চোখের ডাক্তার দেখিয়ে চশমা ব্যবহার করতে হবে। যদি চশমা দিয়েও কাজ না হয়, তাহলে বিশেষ ধরনের চোখের ব্যায়াম (অ্যাকুলেশন থেরাপি) করে দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। অর্থাৎ যে চোখটি ভালো আছে, তাকে কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে অলস চোখটিকে দিয়ে কাজ করানো হয়। ফলে অলস চোখটি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
প্রতিরোধ
গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটি হচ্ছে, শিশু কিছু বুঝে ওঠার আগেই অলস চোখ তার দৃষ্টিশক্তিকে চিরতরে নষ্ট করে দেয়। কারণ, অলস চোখের চিকিৎসা সাত বছরের নিচে থাকলেই করা সম্ভব। এ বয়সসীমার মধ্যে রেটিনার আলোক সংবেদনশীল কোষগুলোর বৃদ্ধি ঘটে। এ জন্য অভিভাবকের উচিত, শিশুকে স্কুলে পাঠানোর আগে একবারের জন্য হলেও চোখের ডাক্তার দেখানো; বিশেষ করে যেসব হাসপাতালে শিশুদের চোখ দেখার আলাদা ব্যবস্থা আছে।
- See more at: http://www.shasthototho.com/2013/11/blog-post_5696.html#sthash.kQn0usxV.dpuf

অ্যাজমা যখন শিশুদের

সদ্যজাত থেকে বয়োবৃদ্ধ সবারই হাঁপানি হতে পারে। তবে শিশুদের হাঁপানিতে বেশি ভুগতে দেখা যায়। মোট হাঁপানি রোগীর অর্ধেকের বয়স ১০ বছরের মধ্যে। মেয়েদের তুলনায় ছেলেদেরই শিশু বয়সে এই রোগ বেশি হয়। বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি লোক শ্বাসনালির সচরাচর সমস্যা অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়।
শিশুদের কেন এত বেশি: শিশুদের হাঁপানিতে বেশি আক্রান্ত হওয়ার কারণ হিসেবে মনে করা হয় শ্বাসনালির হাইপার রেসপোনসিভ-নেসকে। আসলে বড়দের তুলনায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা কম। তাই তাদের বার বার রেসপিরেটরি ট্রাক্ট এর সংক্রমণজনিত কারণে সর্দিকাশি হওয়ার প্রবণতা বেশি। কিছু কিছু শিশুর রেসপিরেটরি ট্রাক্ট এর সংক্রমণের ফলে শ্বাসনালিগুলোতে হাইপার ইরিটেবিনিটি দেখা দেয় অর্থাৎ অতিমাত্রার সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এই ক্রনিক ইনফ্লামেশনের ফলে বাইরে থেকে কোনো কিছু শ্বাসনালিতে ঢুকলেই শুরু হয় সংকোচন এর ফলস্বরূপ হাঁপানি।
উপসর্গ : অনেক শিশুদের প্রায়ই ঠাণ্ডা লাগে অর্থাৎ নাক দিয়ে পানি পড়ে কাশি হয় বিশেষ করে রাতে। আসলে কিন্তু এই লক্ষণগুলো ছোট শিশুদের অ্যাজমার প্রাথমিক লক্ষণ। পরে অবশ্য বড়দের মতো অন্যান্য লক্ষণগুলোও দেখা দেয় । যেমন_ বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই আওয়াজ, শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট, ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা।
- See more at: http://www.shasthototho.com/2013/11/blog-post_6535.html#sthash.dHNi9AEz.dpuf

অণ্ডলালমূত্র (Albuminuria) - কারণ, লক্ষণ এবং চিকিত্সা

এই রোগে রোগীর মূত্রের সাথে অণ্ডলাল বা এলবুমেন (Albumen) দেখতে পাওয়া যায়। এই রোগের সঙ্গে প্রায়ই মূত্রগ্রন্থির প্রদাহভাব প্রকাশ পায়। সাধারণত মূত্রগ্রন্থির পুরাতন রোগাবস্থায় মূত্রের সঙ্গে অধিক পরিমানে অণ্ডলাল বা এলবুমেন(Albumen) ক্ষরণ হয়ে থাকে। যেকোন কারণে যদি কিডনি যন্ত্রের অভ্যন্তরে সূক্ষ সূক্ষ মূত্র নালীর কোষগুলো প্রদাহিত হয় তা হলে ইহার রক্ত মধ্যস্থ এলবুমেন বা অন্ডলাল মূত্র নালীর মধ্যে নিক্ষিপ্ত হওয়ার ফলে মূত্রে অণ্ডলাল বা এলবুমেন দেখা যায়।
এই রোগ বিশেষ কত গুলো কারণের জন্য সৃষ্টি হয়ে থাকে যেমন :- অজীর্ণ, অতি মাত্রায় অণ্ডলালময় খাদ্য গ্রহণ, ঠান্ডা লাগা, জল বৃষ্টিতে ভেজা, মদ্য পান ইত্যাদি। কোন কারণ বশত কিডনি আক্রান্ত হলে এই জাতীয় লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে।

এবার আসুন এই রোগের লক্ষণগুলির দিকে দৃষ্টি দেই। রোগীর প্রস্রাব ঘন, বর্ণের পরিবর্তন এবং প্রস্রাব পরীক্ষায় অণ্ডলাল বা এলবুমেন (Albumen) দেখতে পাওয়া যায়। শীতকম্প হয়ে পীড়ার আরম্ভ হয়। পিপাসা, মূত্রকোষে টান টান ভাব, বেদনা এবং এই বেদনা সময় সময় কুচকি ও অন্ডকোষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। বার বার প্রস্রাব হয় এবং প্রস্রাবের পরিমান কম হয়। প্রস্রাব কালচে বর্ণের অথবা কখনো কখনো রক্ত মিশ্রিত প্রস্রাব দেখা যায়। রোগীর দেহে শোথ লক্ষণ প্রকাশ পায়। হাত পা এবং মুখমন্ডলে স্ফীত ভাব প্রকাশ পায়। এছাড়া অম্ল উদগার, রক্ত সল্পতা, মাথার যন্ত্রনা, হৃদপিন্ডের গোলযোগ প্রভৃতি উপসর্গ দেখা যায়।

এই রোগের হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথরা রোগীর সবগুলি লক্ষণ বিবেচনায় এনে অথবা প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরীক্ষা করে কার্যকর ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকেন। দেখা যায় খুব অল্প দিনের হোমিও চিকিত্সাতেই রোগীর অণ্ডলালমূত্র Albuminuria রোগ নির্মূল হয়ে যায়।
চিকিত্সা নেয়ার সময় রোগীকে কিছু আনুষঙ্গিক পথ্য ও বিষয় খেয়াল রাখলে ভালো হয়। যেমন বিশ্রাম এবং আলোবাতাস যুক্ত ঘরে থাকা রোগীর জন্য হিতকর। ঠান্ডা লাগানো উচিত নয়। হালকা গরম পানি, গরম পানিতে গোসল করা এবং উষ্ণ জলবায়ূ প্রধান স্থানে বসবাস করা হিতকর।

দুধ এই প্রকারের রোগীদের জন্য একটি উত্কৃষ্ট পথ্য, অতিরিক্ত লবন যুক্ত খাবার হতে সাবধান থাকাই ভালো। ঘোল, পাতলা খিচুরী, প্রচুর পানি পান করা, ফলের রস এবং পরিমিত পরিমান আহার গ্রহণ অধিক ফলদায়ক। শারীরিক এবং মানসিক পরিশ্রম করা আদৌ উচিত নয়। রোগের প্রথম অবস্থায় সহজ ও লঘু জাতীয় খাবার এবং কঠিন অবস্থায় দুধ রুটি সুজি দেয়া উচিত।

আপনি কি আসলেই Impotence বা ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত ? নাকি মনের ভূল !

অনেকেরই Impotence বা ধ্বজভঙ্গ সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকার দরুন নিজেকে মনে মনে এই রোগে আক্রান্ত বলে মনে করেন। তার একটি বিশেষ কারণ হলো - আমাদের দেশের রাস্তা ঘাটে হারবাল, কবিরাজি আর ভেষজ ঔষধের পসরা সাজিয়ে বসা তথাকথিত চিকিত্সকদের বিভ্রান্তিকর লেকচার। যাই হোক এবার মূল বিষয়ে আসা যাক।

পুরুষাঙ্গে উত্তেজনার অভাব, উত্তেজনাহীনতা বা সল্পতা হেতু রতি শক্তির অভাবকেই ধ্বজভঙ্গ (Impotence) বলা হয়ে থাকে। ইহাতে পুরুষদের রতি ক্রিয়ার আংশিক বা সম্পূর্ণ সামর্থহীনতার ভাব প্রকাশ পায় এবং এ সমস্যায় পুরুষের পৌরষত্ব ভাব ধীরে দিরে লোপ পায়।
ধ্বজভঙ্গের কারণ সমূহ :-
হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম, আঘাত প্রাপ্তি, বহুমূত্র, সিফিলিস, গনোরিয়া, পুরাতন অন্ডকোষ প্রদাহ, দীর্ঘকাল যাবৎ অজীর্ণ রোগ, স্নায়বিক রোগ ইত্যাদি কারণে এই লক্ষণটি দেখা দিতে পারে। ইহাতে সন্তান উত্পাদন শক্তি লোপ পায়। অনেক চিকিত্সা বিজ্ঞানী ইহাকে রোগ বলে অভিহিত করতে চান না। ইহা যে কোন কঠিন জাতীয় পুরাতন রোগের লক্ষণ বিশেষ বলে তারা মনে করেন। পুরুষের যৌন উত্তেজনা ও যৌনতার স্থায়ীত্ব কম বেশি হয় কারণ তার দেহের হরমোনের ক্রিয়ার কম বেশি অবস্থা ঘটে। যৌন উত্তেজনা ও যৌন স্থায়ীত্ব কম হাওয়াই ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ নয়।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে তার যৌন ক্ষমতা ঠিকই আছে কিন্তু মানসিক কারণে বা হীনমন্যতার জন্য ধ্বজভঙ্গ ভাব প্রকাশ পায়। অনেকেই যৌবন কালে কম বেশি বীর্য ক্ষয় করে থাকে এবং নানা প্রকার কৃত্রিম উপায় অবলম্বন করে বীর্য ক্ষয় করে তাদের মনে তাদের মনে অনেক সময় একটা ভুল ধারণার সৃষ্টি হয় যে তারা ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত, তার যৌন ক্ষমতা বোধ কম এমন একটা দুর্বলতা বিশেষ করে মানসিক দুর্বলতা তার মনে সৃষ্টি হয়। আবার কোন কোন সময় যৌন ক্ষমতা সামান্য কম হলে সে মনে করে তার যৌন ক্ষমতা নেই - ইহাও একটি ভুল ধারণা ।

অনেক সময় পুরুষের পেনিস সামান্য ছোট বড় হতে পারে, ইহা প্রকৃতির নিয়মে অথবা বংশগত ধারায়। কিন্তু ছোট বলে অনেক পুরুষ মনে করে যে সে যৌন কার্যে অক্ষম এবং তার ধ্বজভঙ্গ রোগ হয়েছে - এটাও ভুল ধারণা । বেশি পরিশ্রম, পুষ্টির অভাব, দেহে উপযুক্ত প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব হলেও এটি হতে পারে।

প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ রোগ এবং জন্মগত ভাবে ধ্বজভঙ্গ রোগ এই দুই শ্রেণীতে ইহাকে বিভক্ত করা হয়ে থাকে। মানসিক বা দৈহিক কারণে যদি এই রোগ হয় তবে তাকে প্রকৃত ধ্বজভঙ্গ বলা যায়। আবার যদি জন্মগত ভাবে হয় তখন তাকে ধ্বজভঙ্গ রোগ বলা যায়। মানসিক বা দৈহিক কারণে এই রোগ হলে তার ট্রিটমেন্ট করা যায় কিন্তু জন্মগত ভাবে হলে তার চিকিত্সা করে আরোগ্য করাটা বেশ কঠিন। এবার আসুন প্রকৃত এবং জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের ক্ষেত্রে কি কি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তা দেখি :-

জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-
  • যৌবন আগমনের সঙ্গে পুরুষোচিত গুনাবলীগুলি যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। মানুসিক দুর্বলতা প্রকাশ পায়। সর্বদাই হীনমন্যতা ও দুর্বলতার ভাব প্রকাশ পায়।
  • যৌবনের গুনাবলী ঠিক যে সময় যৌবন ভাব প্রকাশ পাওয়া স্বাভাবিক সেটা দেখা যায় না এবং যৌনতার ভাব যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। দেহের নানা হরমোনের অভাবে এবং স্নায়ুবিক অক্ষমতার কারণ হিসাবে দেখা দেয়।
  • যৌবন আগমন হলেও যৌনইন্দ্রিয়ের কোনো উত্তেজনা থাকে না। পেনিস ঠিক মত শক্ত হয় না। কখনো কখনো অতি সামান্য দু'এক ফোটা বীর্যপাত হয়।
  • সর্বদাই এদের চরিত্রে নারী সুলভ ভাবভঙ্গি প্রকাশ পায়। অদ্ভুদ ধরনের হাবভাব প্রকাশ পায় যা সাধারনত কোন পুরুষের মধ্যে থাকে না।
  • এদের যৌন উত্তেজনা, পেনিসের উত্থান, বীর্যপাত প্রভৃতি কিছুই দেখা যায় না। আচার আচরণে বোকামি প্রকাশ পায়, মানুষের কাছে হস্যম্পদ হয়ে থাকে এবং অনেক সময় মানুষ তাদের নিয়ে উপহাস ও কৌতক করে থাকে।
মানসিক বা দৈহিক ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-
  • অন্যের যৌন ক্ষমতা বেশি এবং নিজের কম এই ভেবে অনেক সময় মানসিক দুর্বলতা দেখা দেয়।
  • যতটা দৈহিক বীর্য ক্ষয় হয় ততটা খাদ্য ঠিক মত পায় না। উপযুক্ত প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব, পেটের রোগ এবং অন্য কোন রোগে ভোগা।
  • হরমোন ক্রিয়ার কম বেশির জন্য, দীর্ঘকাল যাবৎ বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন অথবা জন্মগত বা পৈত্রিক সূত্রে অনেকের পেনিস একটু ছোট হলে এর জন্য হিনমন্যতায় ভোগে।
  • অনেক সময় আদৌ রোগ নয়, শুধু মাত্র মানসিক কারণেই এই লক্ষণ দেখা দেয়। তারা প্রকৃতপক্ষে যৌনতায় সুস্থ কিন্তু কৃত্রিমভাবে বীর্যক্ষয় করার কারণে ধ্বজভঙ্গের সন্দেহ করে এবং এই সন্দেহের জন্য নিজেকে ধ্বজভঙ্গ রোগী মনে করে থাকে।
  • অনেকের ক্ষেত্রে যৌন হরমোন বা অন্য কোন গ্রন্থির হরমোন সমান্য কিছু কম নিঃসরণের জন্য যৌন উত্তেজনা কিছুটা কম হতে পারে কিন্তু যথাযথ ট্রিটমেন্ট করলে হরমোনের এই গোলযোগ ঠিক হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে মানসিক দুর্বলতা অনেক সময় প্রকাশ পেয়ে থাকে।
রোগ নির্ণয় :-
স্ত্রী সহবাসের সময় পেনিসের উত্থান হয় না অথবা সামান্য মাত্র উত্থান হয়ে আবার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। দ্রুত বীর্যপাত অর্থাৎ বীর্য ধারণের সময় যতটা হওয়া উচিত তার চেয়ে অনেক কম। পেনিসে উত্তেজনা দেখা যায় না আর হলেও অনেক কম। বীর্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তরল হয়। বীর্যপাতের পর অস্বাভাবিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। বীর্য এতটা পাতলা যে দেখতে জলের মত।

জটিল উপসর্গ :-
  • যৌন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়।
  • দাম্পত্য সুখ শান্তি বিঘ্নিত হয়।
  • সাংসারিক শান্তি নস্ট হয়।
  • জৈব চাহিদা মেটাতে স্ত্রী পর পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
  • স্ত্রী সর্বদাই মানসিক অশান্তিতে ভোগে এবং স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তির অভাব হয়।
  • পুরুষের পুরুষোচিত গুনাবলীর বিকাশ হয় না।
  • কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুক্র কীট ঠিকমত না থাকার দরুন সন্তান সৃষ্টি বিঘ্নিত হয়।
  • মনে মনে কামভাব থাকলেও যৌন সুখ না হবার দরুন মানসিক অবসাদ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ এই জাতীয় হতাশায় ভুগলে মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে। 
প্রিয় পাঠক, আপনাদের আর্টিকেলের টাইটেলেই বলেছিলাম - আপনি কি আসলেই Impotence বা ধ্বজভঙ্গে আক্রান্ত ? নাকি মনের ভূল! আশা করি বিষয়টি সম্পর্কে পুরুপুরি ক্লিয়ার হয়ে গেছেন। পুরু লেখাটি পড়ার পর যদি আপনার মনে হয়ে থাকে এটাতে আপনার মানসিক দুর্বলতা ছিল তাহলে আজই, ঠিক এই মুহুর্তেই মন থেকে সব মুছে ফেলুন আর মনে করুন আপনার এ সংক্রান্ত কোন প্রকার সমস্যাই নেই, আপনি একজন পরিপুর্ণ সুস্থ সুপুরুষ ।

আবার যদি মনে হয় আপনার কিছুটা সমস্যা রয়েছে তাহলে দেরী না করে আজই ভাল এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করে চিকিত্সা নিন। কারণ পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত আর কোনো মেডিকেল সাইন্সই যৌন সংক্রান্ত সমস্যাগুলি চিরতরে নির্মূলে ততটা সাফল্য দেখাতে পারেনি। শুধু তাই নয়, অন্যান্য চিকিত্সা পদ্ধতি যেখানে তাদের প্রয়োগকৃত ঔষধ সমূহের জটিল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত সেখানে একমাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানই কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই এই সকল সমস্যা সমূহকে একেবারে রুট লেভেল থেকে নির্মূল করতে সক্ষম হচ্ছে। Impotence বা ধ্বজভঙ্গ সৃষ্টির পেছনে শারীরিক বা মানসিক যে কারণই থাকুক না কেন কিছুদিন প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে তা একেবারে মূল থেকে দূর হয়ে যায় এবং তার জন্য সব সময় ঔষধ খেয়ে যেতে হয় না।

বাংলাদেশে তরুণ-যুবকদের যৌনতা (Sex) নিয়ে যত ভুল ধারণা

আপনি শুনলে হয়ত অবাকই হবেন - বছরের পর বছর ধরে যে অপচিকিৎসায় দেশের বৃহত্তর তরুণ সমাজ যৌন সংক্রান্ত ব্যাপারে নিজেদের ভয়ানক ক্ষতি ডেকে আনছে তার শতকরা ৭০-৮০ ভাগ তরুণ-পুরুষের কোন ধরনের শারীরিক সমস্যা নেই বললেই চলে আর থাকলেও তা খুব সহজেই নিরাময়যোগ্য। অথচ বিভিন্নভাবে রাস্তা ঘাটের আশেপাশে বেঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠা হারবাল-আয়ুর্বেদ, ভেষজ ও নানা কবিরাজি চিকিৎসায় তরুণদের যে শুধু বিভ্রান্ত করা হচ্ছে তাই নয়, বহু এ্যালোপ্যাথিক ডাক্তারও তরুণদের যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে অজ্ঞতা ও দুর্বলতার সুযোগে রোগী বানিয়ে দিচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করতে বাধ্য করছে।

একটা কথা মনে রাখতে হবে তরুণ-যুবক বয়সে পুরুষদের যৌন সমস্যার শতকরা ৮০ ভাগই মানসিক। মোটেও চিকিৎসার দরকার নেই। তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রকৃত শারিরীক সমস্যা থাকলেও উপযুক্ত চিকিৎসায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়। তাই তরুণদের প্রতি আমাদের উপদেশ রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া নিজের নির্বাচনে বা সখ করে অযথা হারবাল-আয়ুর্বেদ, ভেষজ, কবিরাজি এবং উত্তেজক এ্যালোপ্যাথিক ঔষধ সেবন করে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্ত করে তুলবেন না। আপনি যত কঠিন যৌন রোগীই নিজেকে মনে করুন না কেন হোমিওপ্যাথি আপনাকে অল্প কিছু দিনেই স্বাভাবিক এবং সুস্থ জীবন দান করবে ইনশা-আল্লাহ। কারণ হোমিওপ্যাথিই একমাত্র চিকিত্সা বিজ্ঞান যেটি কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই নারী পুরুষের যাবতীয় যৌন সমস্যাবলী মূল থেকে নির্মূল করে রোগীকে চিরতরে আরোগ্য করতে সর্বাধিক সাফল্য দেখিয়েছে। তাছাড়া হোমিওতে এমন কিছু রেমেডি রয়েছে, কেউ যদি মানসিক কারণে যৌন দুর্বলতায় ভোগে তার মানসিক অবস্থাটাও পরিবর্তন করে পুরু সমস্যাটা দূর করে দেয় যা অন্য কোন চিকিত্সা পদ্ধতিতে নেই। আর সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো হারবাল-আয়ুর্বেদ, ভেষজ, কবিরাজি এবং উত্তেজক এ্যালোপ্যাথিক ঔষধের মত হোমিও ঔষধ সব সময় খেয়ে যেতে হয় না। কিছু দিন কন্টিনিউ করলেই রোগটি পুরোপুরি রুট লেভেল থেকে নির্মূল হয়ে আবার শরীরে পূর্বের স্বাভাবিক সুস্থ অবস্থাটা চলে আসে, আর তখন কোন ঔষধই খাওয়ার দরকার পড়ে না। অর্থাৎ আপনি আবার সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে উঠবেন।

জেনে রাখা ভালো (হস্তমৈথুন প্রসঙ্গে) :-
অনেকেই শীতপ্রধান দেশের বিশেষজ্ঞদের গবেষণালব্ধ ফলাফল আমাদের উপমহাদেশের অর্থাৎ গ্রীষ্মপ্রধান দেশের বেলায় চালাতে চান। এক্ষেত্রে অবশ্যই আমাদের বাস্তবতা উপলগ্ধি করতে হবে। আমাদের দেশের ছেলেদের ১০-১২ বছরের মধ্যেই যৌন পরিপক্কতা চলে আসার কারণে তারা অনেকে তখন থেকেই হস্তমৈথুন করা শুরু করে এবং বিয়ের সময় অর্থাৎ বয়স ২০-৩০ বছর হওয়ার পর দেখা যায় তারা নানা প্রকার যৌন সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলেছেন। দেখা গেছে যে ৯/১০ বছর বয়স থেকেই ভারত বাংলাদেশের ছেলেরা হস্তমৈথুন করা শুরু করে অথচ এটা তাদের বাড়ন্ত বয়স। আর তখন থেকে দীর্ঘ দিন বছরের পর বছর যাবৎ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার কারণে পেনিসের গ্রোথ কিছুটা বাধাগ্রস্থ হাওয়াটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। আর বাস্তবতা হলো অনেকের ক্ষেত্রেই এমনটি ঘটেও থাকে। যথাযথ হোমিও ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে শুধুমাত্র ঐ ক্ষেত্রে পেনিসের আকার কিছুটা বাড়ানো যায়।
এবার আসুন শীতপ্রধান দেশগুলির ছেলেদের বিষয়ে আসি। তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টা আমাদের থেকে সম্পূর্ণ উল্টো। ঐসব দেশে ছেলেদের যৌন পরিপক্কতা আসে অনেক দেরিতে, অনেকের ১৬-১৮ বছর হয়ে যায়। তাছাড়া তারা যে কারো সাথে মেলামেশার সুযোগ পেয়ে থাকার কারণে হস্তমৈথুন ততটা করে না। তাই তারা এর জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হয় না বললেই চলে। তাই আপনাদের অবশ্যই এ বিষয়টা বুঝতে হবে এবং তাদের ক্ষেত্রে যে থিওরি তাদের দেশের বিশেষজ্ঞরা দিয়ে থাকেন তা আমাদের দেশের ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার চেষ্টা করা নিছক বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ তারা যদি আমাদের দেশের ছেলেদের মত হস্তমৈথুনে আসক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে এটা করতে থাকত তাহলে তারাও এর কুফল গুলির সম্মুখীন হত। তাই আমাদের দেশের তথাকথিত গুগল সার্চ করা আর কপি পেস্ট করা বিশেষজ্ঞদের প্রতি অনুরোধ - বিষয়টা ভালো ভাবে না জেনে, না বুঝে এবং বাস্তব ধারণা না নিয়ে "হস্তমৈথুন করাকে শরীরের জন্য উপকারী" এ কথা বলে তরুনদের বিভ্রান্ত করবেন না। আমরা দেখেছি একমাত্র নানা প্রকার ভুয়া যৌন সামগ্রী বিক্রেতারাই কোমলমতি তরুনদের হস্তমৈথুন করার প্রতি উত্সাহিত করে থাকে। কারণ তরুণরা যতই সমস্যার স্বীকার হবে ততই তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটবে। সবাই ভালো ভাবে জেনে রাখুন - আপনি যদি বছরের পর বছর ধরে হস্তমৈথুন করতে থাকেন তাহলে এক সময় মারাত্মক কিছু সমস্যার সমুখীন হবেন যা আপনার যৌন জীবনকে বিপর্যস্থ করে তুলবে। এটা আমরা উপমহাদেশের (বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান) হাজার হাজার তরুনদের ট্রিটমেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ করেছি। তারা সবাই বিনা বাক্য ব্যয়ে আমাদের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেছেন যে - ছোট কাল থেকেই তারা হস্তমৈথুনে অভ্যস্থ ছিলেন।

সতর্ক হোন (বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতার ক্ষেত্রে) :-
বিবাহিত জীবনে স্বাভাবিক অবস্থায় যৌন দুর্বলতায় কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নাই। অর্থাৎ লিঙ্গ উত্থান জনিত কোনো শারীরিক সমস্যা অথবা অন্য কোনো যৌন রোগের কারণে যদি আপনার যৌন দুর্বলতার সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে সেই রোগের চিকিত্সা করাতে হবে। তারপর যৌন সমস্যার বিষয়টি দেখতে হবে। মূল কথা হলো বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতায় কোনো ঔষধের প্রয়োজন নাই। আপনারা হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে যৌন দুর্বলতার সৃষ্টি হলে এটা সারবে কিভাবে ? একটা বিষয় চিন্তা করুন পুরুষের যৌন ক্ষমতাটা তার ইচ্ছা বা অনিচ্ছার উপর নির্ভর করে না। এটা সরাসরি নির্ভর করে তার শারীরিক সক্ষমতার উপর। তাই আপনাকে চিন্তা করতে হবে কি করলে আপনি সবসময় শারীরিক ভাবে ফিট থাকবেন। কারণ যৌনতাও আপনার শরীরেরই একটা অংশ। তাই নিয়মিত ব্যায়াম, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনের মাধ্যমে আপনি যৌনতায় ফিট থাকতে পারেন। তার জন্য ক্ষতিকর ও উত্তেজক হার্বাল, কবিরাজি, ভেষজ ও অ্যালোপ্যাথি ঔষধ খেয়ে যাওয়ার কোন প্রয়োজনই নেই। কারণ পুরুষের যৌন শক্তি সঞ্চিত হয় দৈনন্দিন খাবার দাবার থেকে।

আপনি যদি সখের বসে নিয়মিত এইসব ক্ষতিকর এবং উত্তেজক হার্বাল, কবিরাজি, ভেষজ ও অ্যালোপ্যাথি ঔষধ খেতে থাকেন তা হলে একসময় দেখবেন আপনি এতে অভ্যস্থ হয়ে পড়েছেন আর এমনটিই হচ্ছে প্রতিনিয়ত এবং প্রতিবার ঐসব ঔষধ খাওয়া ব্যতীত আপনি আর সহবাস করতে পারছেন না। শুধু তাই নয় দীর্ঘদিন এইগুলি ব্যবহার করতে থাকলে আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহও নানা প্রকার জটিল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে থাকবে। আর সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি আমরা দেখে আসছি সেটা হলো এক সময় এমন অবস্থা সৃষ্টি হয় যে ঐ অবস্থায় আর কোনো যৌন শক্তির ঔষধই কাজ করে না। এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, আপনি কি ঐসব ক্ষতিকর ঔষধ খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন নাকি নিয়মতান্ত্রিক জীবন-যাপনের মাধ্যমে আনন্দময় সুখী যৌন জীবন উপভোগ করবেন। তবে ক্ষেত্র বিশেষে হয়ত চিকিত্সকরা ঐ সংক্রান্ত ঔষধ কিছু দিনের জন্য প্রেস্ক্রাইব করতে পারেন। সেটা ভিন্ন কথা। কারণ যে কোনো ঔষধই চিকিত্সকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া বিপদজনক। এবার আসুন বিবাহিত পুরুষদের যৌন দুর্বলতায় কি কি করা প্রয়োজন সে দিকে যাই।

আবারও বলছি, বিবাহিত জীবনে পুরুষদের যৌন দুর্বলতা একেবারেই একটা সাধারণ ব্যাপার । তাই যৌন সামগ্রী ব্যবসায়ীদের বিজ্ঞাপনের ছটায় বিভ্রান্ত হয়ে বিষয়টি নিয়ে আপনি আপনার মন-মানসিকতাকে দুর্বল করে তুলবেন না। আপনি যদি এবিষয়ে একটু সচেতন থাকেন তাহলে এ সংক্রান্ত কোনো সমস্যাই হওয়ার কথা নয়। নিয়মিত ব্যায়াম করুন, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন, দুধ (ছাগলের দুধ অধিক উপকারী), ডিম এবং মধু  খাবার মেনুতে রাখুন দেখবেন আপনার যৌন দুর্বলতা আসার কোনো সুযোগই থাকবে না। তবে কোনো প্রকার এক্সিডেন্ট বা রোগ-ব্যাধির কারণে যৌন দুর্বলতা বা যৌন সংক্রান্ত কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে ভূল করবেন না।

নবযৌবনে পদার্পণ করেছেন যারা (লিঙ্গ দিযে সাদা আঠালো পানি আসা) :-
মেয়েদের সাথে কথা বলার সময়, অধিকক্ষণ যৌন চিন্তার ফলে, পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত অবস্থায় কিছুক্ষণ থাকলে লিঙ্গ দিযে সাদা আঠালো পানি (যাকে কমরস ও বলা হয়ে থাকে) আসাটা অস্বাভাবিক কিছু নয় এবং ইহা পুরুষদের একটি প্রাকৃতিক ব্যাপার, তাই বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনারা সবাই এটা জানেন যে, পুরুষদের প্রস্রাবের পথ আর প্রজননতন্ত্র একই। প্রস্রাব অম্লীয় প্রকৃতির। যার কারণে বীর্য বের হওয়ার সময় যাতে অম্লীয় পরিবেশের কারণে শুক্রানু নষ্ট হতে যেতে না পারে তার জন্য এই পদার্থটি আল্লাহ পাক বের হওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যাতে অম্লীয় ভাবটা দূর হয়ে যায়। তবে যদি এটি বেশি বেশি হতে থাকে তখন হয়ত কিছুটা সমস্যা থাকতে পারে (স্পারম্যাটোরিয়ার ফলে হতে পারে কিন্তু এর জন্য দুশ্চিন্তার কোন কারণই নেই, এটি কিছু দিনের যথাযথ হোমিও চিকিত্সায় ঠিক হয়ে যায় )।

প্রতারিত হবেন না (পুরুষের লিঙ্গ/পেনিস প্রসঙ্গে ) :-
পুরুষাঙ্গ/পেনিস বড় করা :-
কতিপয় ভুয়া যৌন সামগ্রী (Sex Toy or Products) বিক্রেতাদের বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হয়ে আমাদের দেশের সে সকল কোমলমতি তরুণ-যুবকরা পেনিস বড় করা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন তারা বিষয়টা ভালোভাবে বুঝার চেষ্টা করুন -
ডক্টর মাইকেল ও'লেয়ারী যিনি হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল (ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) এর  প্রফেস্যার এবং এ বিষয়ের একজন সুপরিচিত বিশেষজ্ঞ, তিনি সরাসরি বলেছেন - "বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় - তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা।" বুঝুন এবার !! তাই, যারা ফেইসবুক, ব্লগ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পেনিস বড় করার বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন দেখে নানা খাবার বড়ি, ক্রিম ব্যবহার করার কথা ভাবছেন তারা একবার বিষয়টি ভেবে দেখবেন আশা করি।

কারণ আজকাল কেউ কেউ হার্বাল, কবিরাজি, ভেষজ এমনকি হোমিওপ্যাথির দোহাই দিয়ে পর্যন্ত কোমলমতি তরুণ-যুবকদের মানুষিক ভাবে দুর্বল করে থাকে। আর তাদের বিজ্ঞাপনে এমন সব কু-রুচি পূর্ণ ছবি ব্যবহার করে থাকে, যা দেখে যেকোন তরুণ-যুবকই মানসিক ভাবে এগুলোর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে আমাদের তরুনরা আসল সত্যটা না জেনেই তাদের ফাদে পা দিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। আপনি দেখে থাকবেন তাদের নির্দিষ্ঠ কোনো স্থায়ী ঠিকানা থাকে না। তারা শুধু ফোন নম্বর ব্যবহার করে থাকে। তারা অনেকেই আবার দাবি করে.. বিশ্ববিখ্যাত পেনিস এনলার্জমেন্ট ফর্মুলা (ডাহা মিথ্যা কথা) অনুযায়ী তাদের ঔষধ তৈরী করা হয়ে থাকে !!!

বিষয়টা ভালো করে চিন্তা করুন, যদি "বিশ্ববিখ্যাত পেনিস এনলার্জমেন্ট ফর্মুলা" বলে কিছু থাকত তাহলে বাংলাদেশের বড় বড় ঔষধ কোম্পানি গুলি এখনো বসে আছে কেন ? তারা কেন পেনিস বড় করার ঔষধ তৈরী করেন না। তারা কি "বিশ্ববিখ্যাত পেনিস এনলার্জমেন্ট ফর্মুলা" জানেন না !! দেশের বড় বড় খ্যাতনামা যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা কেন তাদের রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপসনে এইসব ঔষধের নাম লিখেন না ?? আর বাংলাদেশে রয়েছে হাজার হাজার ঔষধের ফার্মেসি যেখানে এত এত ঔষধ পাওয়া যায় অথচ বিশ্ববিখ্যাত ফর্মলায় তৈরী করা তাদের ঐ ঔষধটা কেন পাওয়া যায় না ?? শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত হারবাল ঔষধ প্রস্ততকারী কোম্পানি গুলির একটিও আজ পর্যন্ত এ রকম কোনো ঔষধ তৈরী করতে পারেন নি। অথচ ঔষধ প্রস্ততকারী কোম্পানিগুলো নিত্য নতুন কার্যকরী ঔষধের ফর্মুলা তৈরির জন্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে রেখেছেন। যারা নানা প্রকার ঔষধ তৈরী এবং এর কার্যকারীতা নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা করে চলেছেন। আশা করি আর কিছু বলার প্রয়োজন নেই। সচেতন হন। জেনে শুনে প্রতারিত হবেন না। আপনার কষ্টার্জিত টাকার মুল্য আছে, তা আপনার পরিবারের জন্য খরচ করুন। লোভে পড়ে যেখানে সেখানে টাকা পয়সা উড়াবেন না।

যারা পেনিস বড় করার ঔষধ বিক্রি করে, তারা আসলে মানুষের দুর্বল মানসিকতার সুযোগ নিয়ে লোকজনকে প্রতারিত করে থাকে। কারণ আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে কোন মেডিকেল সাইন্সই এ বিষয়ে ভালো ভাবে সফল হয় নি - এটা আশা করি ইতিমধ্যে ভালো করেই বুঝতে পেরেছেন, আবার অপারেসন করে পেনিসের আকার পরিবর্তন করলেও তাতে রয়েছে নানান জটিলতা। এখন প্রশ্ন হলো :- যারা পুরুষের লিঙ্গ/পেনিস বড় অর্থাৎ মোটা বা লম্বা করার বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন তারা কি ভাবে সফল হলো !?! তাদের খাবার বড়ি, ক্রিম ব্যবহার করে ফলাফল পেয়েছেন, এখন পর্যন্ত এমনটি কারো কাছে শুনিনি।। আবারও বলছি - মূল কথা হলো, তাদের ব্যবসা করার চূড়ান্ত হাতিয়ার আমাদের তরুনদের দুর্বল মানসিকতা। কারণ এই গুলো ব্যবহার করে কোনো ফলাফল পান বা না পান সেটা আপনি কারো কাছে বলতে পারবেন না। তাই বিষয়টি ভেবে দেখবেন।

পেনিস বা লিঙ্গের আকার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা :-
প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4.7 থেকে 6.3 ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪(চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজন দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।
পুরুষাঙ্গ/পেনিস গোড়া চিকন আগা মোটা :-
প্রায় সময়ই ফোন কল রিসিভ করে যে অভিযোগটি পাই সেটি হলো - স্যার আমার লিঙ্গের গোড়ার দিকটা অগ্র ভাগের তুলনায় কিছুটা চিকন এর জন্য ট্রিটমেন্ট দেন। ভালো করে জেনে রাখুন প্রকৃতিগত ভাবেই অধিকাংশ পুরুষের লিঙ্গের গোড়ার দিকটা অগ্রভাগের তুলনায় কিছুটা চিকন হয়ে থাকে। এটা আপনার যৌন কাজ বা সহবাসের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যাই নয়। রাস্তাঘাটের ভুয়া হারবাল, কবিরাজি, ভেষজ নামধারী কতিপয় চিকিত্সক তাদের ঔষধ বিক্রি করতে কোমলমতি তরুনদের মানুষিকভাবে দুর্বল করার জন্য এই কথাগুলি বলে থাকে। এটা তাদের একটা কটু বুদ্ধি। তাই আমাদের যে সকল তরুণ - যুবক ভাই এই বিষয়টা নিয়ে এতদিন যাবৎ হীনমন্যতায় ভুগে আসছেন আজ থেকেই এই সব বাজে চিন্তা ভাবনা মাথা থেকে বাদ দিয়ে আপনার পড়াশোনা, ক্যারিয়ার আর অন্যসব বিষয়ে চিন্তায় মনোনিবেশ করুন।
পুরুষাঙ্গ/পেনিস বাকা প্রসঙ্গে :-
অনেক সময় আমাদের পেশেন্টরা অভিযোগ করেন স্যার, আমার পেনিস কিছুটা বাকা। এসকল প্রশ্ন আসার সবচেয়ে বড় কারণ হলো - সঠিক সময়ে আমাদের দেশের তরুণরা যথাযথ যৌন শিক্ষাটা পায় না। আর এই সুযোগটিকেই কাজে লাগায় কতিপয় হারবাল, কবিরাজ, ভেষজ নামধারী চিকিত্সক আর কতিপয় অসাধু যৌন সমগ্রী বিক্রেতারা। মনে রাখবেন পুরুষাঙ্গ পরুপুরি সোজা হয় না। অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই দেখা যায় পেনিস কিছুটা বাকা থাকে। এটা কোনো সমস্যার মধ্যেই পড়ে না। যৌন মিলনের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি কোন ফ্যাক্টরই নয়। তাই এই সকল বিষয় নিয়ে চিন্তা করে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। আপনি কতিপয় অসাধু যৌন সামগ্রী বিক্রেতাদের বিজ্ঞাপনের ছটায় বিভ্রান্ত হয়ে সারা জীবন পুরুষাঙ্গ মোটা করার, লম্বা করার, আকারে বড় করার, সোজা করার ঔষধ, ক্রিম, ট্যাবলেট ইত্যাদি ব্যবহার করে যেতে পারেন বিনিময়ে আপনার টাকা আর সময় নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কিছুই পাবেন না। একবার আমাদের কাছে কিছু ভেষজ ঔষধ বিক্রেতা একান্ত আলাপ-চারিতায় নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে - তারা হালুয়া আকারে ঔষধ বিক্রি করেন  আর তৈরী করার সময় ফার্মেসী থেকে ৫০ টাকা পিস যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট কিনে তার সাথে গুড়ো করে মিশিয়ে দেন। যার কারণে যেই এটা খায় কিছুক্ষণ পরই সে তীব্র উত্তেজনা অনুভব করে এবং ইনস্ট্যান্টলি রক্ত সঞ্চালনের ফলে পেনিসও অনেক শক্ত হয়ে যায় । সাথে সাথে ফলাফল পেয়ে যাবার কারণে লোকজন হর-হামেশাই তাদের ঔষধ কিনে ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এই সব ঔষধের ক্রিয়াকাল ক্ষনস্থায়ী : ২-৩ ঘন্টার বেশি হয় না। অর্থাৎ এটা কোন স্থায়ী ট্রিটমেন্ট নয়।

স্বামী স্ত্রীর সহবাস বা যৌন মিলনের স্থায়িত্ব কত সময় হতে পারে :-
বিষয় হলো এর ধরাবাধা কোনো সময় নেই। কারণ এটি বলতে গেলে পুরুষের সক্ষমতার উপরই অধিকাংশ নির্ভরশীল। তবে বিশেষজ্ঞরা এর সময়সীমার প্রতি কিছুটা ইঙ্গিত করেছেন তা হলো : সর্বোত্তম যৌন মিলনের সময়-ব্যপ্তি ৭ (সাত) থেকে ১৩ (তের) মিনিট পর্যন্ত হয়ে থাকে। বলা হয় ৩ (তিন) থেকে ৭ (সাত) মিনেটের যৌনমিলন মোটের উপর "পর্যাপ্ত" কিন্তু ৩ মিনেটের কম সময় "খুব কম সময়" এবং ১৩ মিনিটের বেশি সময় মিলন "খুব লম্বা সময়"। গবেষকরা প্রমান পেয়েছেন - ৩ (তিন) মিনেটের ভালবাসাপুর্ন মিলনই 'পর্যাপ্ত'।

একটা বিষয় মনে রাখবেন :-
যৌন তৃপ্তির জন্য লিঙ্গের আকার মুল বিষয় নয়। প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মিলনে এবং সিঙারে আপনার কারুময়তা। আপনি যত বেশি সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে স্ত্রীকে "অন" করবেন সে তত বেশি আপনার পার্সোনলিটির প্রতি আবেগী হবে।

নারী পুরুষের নানা প্রকার যৌন ব্যাধি প্রসঙ্গে :-
দ্রুত বীর্যপাত, পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ, স্বপ্নদোষ, স্পারম্যাটোরিয়া, হস্তমৈথুন অভ্যাস ও এর কুফল, লিঙ্গের অসারতা, সিফিলিস, গনোরিয়া, প্রসাবে জ্বালাপোড়া, নারীদের জরায়ু সংক্রান্ত ব্যাধি, ঋতুস্রাবের অনিয়মিততা, লিউকোরিয়া, স্তন টিউমার/ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব ও অন্যান্য স্ত্রীরোগসমূহের সর্বাধিক সাফল্য মন্ডিত এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন চিকিত্সা নিশ্চিত করে থাকে একমাত্র হোমিওপ্যাথি মেডিকেল সাইন্স। তাই এ সকল সমস্যা নির্মূলে আপনার নিকটস্থ ভালো এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগযোগ করে চিকিত্সা নিন, প্রপার ট্রিটমেন্ট নিলে আশা করি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন। 
আরেকটা বিষয় জেনে রাখা দরকার, হোমিওপ্যাথি যেনতেন কোনো চিকিত্সা বিজ্ঞান নয়, মেডিকেল কলেজের সার্টিফিকেট নিয়ে ডাক্তার হওয়া যায় কিন্তু যথাযথ হোমিওপ্যাথ হতে হলে তার সাথে আরো কিছু করতে হয়। এই বিজ্ঞান সঠিকভাবে আয়ত্ব করতে অনেক সাধনার প্রয়োজন, যা যথাযথরূপে অর্জন করতে ডিগ্রীধারী হাওয়া সত্তেও অনেকেই ব্যর্থ হন। যার কারণে দেখা যায় মহিলা ও পুরুষদের জটিল ব্যাধিসমূহ, লিভার সিরোসিস, ক্যান্সার, কিডনির ক্রিটিকাল মুহুর্তে তার যথাযথ চিকিত্সা ইত্যাদি দিতে অনেক হোমিওপ্যাথই অপারগতা প্রকাশ করে থাকেন। অথচ সেই জন্মলগ্ন থেকেই অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথদের প্রপার ট্রিটমেন্ট এর আওতায় আসার কারণে অনেক জটিল শারীরিক সমস্যাগ্রস্থ মানুষও নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন। আমাদের দেশেও এ রকম স্বনামধন্য অনেক হোমিওপ্যাথ রয়েছেন যাদের চিকিত্সার কারুময়্তার কারণে বিরোধী পক্ষের নানা অপপ্রচার সত্তেও বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি জনমানুষের মনে স্থান করে নিয়েছে।

পুরুষের যৌন দূর্বলতা (Sexual weakness) - কারণ, প্রতিকার এবং চিকিৎসা

যৌন দূর্বলতা আজ আমাদের সমাজে একেবারেই একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে। যথাযথ জ্ঞান না থাকার কারণে অনেক তরুণরাও নিজেদের যৌনতায় দুর্বল ভেবে থাকেন। কিন্তু দেখা যায় বিবাহিত জীবনে বাংলাদেশে অধিকাংশ পুরুষই যৌন দূর্বলতা সমস্যায় আক্রান্ত হন। তারও রয়েছে বিভিন্ন কারণ। অথচ দেখা যায় অধিকাংশ মানুষেরই এ বিষয়ে সংকোচ বেশি থাকার কারণে প্রকৃত তথ্য থেকে অনেকে বঞ্চিত হন, এই দূর্বলতার কারণে অনেক কুসংস্কারও সমাজের মানুষের মনে বাসা বেধে আছে। আর এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেনীর অসাধু যৌন সামগ্রী বিক্রেতারা নানা প্রকার কথায় ভুলিয়ে কোমলমতি এবং সহজ সরল মানুষদেরকে প্রতারিত করে থাকে। বাস্তব জ্ঞানটা না থাকার কারণে অনেক পুরুষকেই দেখা যায় নিয়মিত নানা প্রকার যৌন উত্তেজক ঔষধ সেবন করতে। অথচ তারা জানেনই না যে তারা কি ভয়াবহ বিপদের দিকে এগোচ্ছেন।
                                                       



বিষয়টা সম্পর্কে আরো ভাল ধারণা লাভের জন্য আসুন জেনে নেই - একজন পুরুষের যৌন বিষয়ক শারীরবৃত্তীয় কাজ গুলো কি কি।
  • যৌন ইচ্ছা  থাকা।
  • লিঙ্গত্থান বা ইরেকশন হওয়া, যেটি পুরুষাঙ্গে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবার কারনে হয়ে থাকে। 
  • পুরুষাঙ্গ দিয়ে সিমেন নির্গমন । 
  • পেনিস বা পুরুষাঙ্গের শিথিলতা।
এসব কিছুর মধ্যে পুরুষের লিঙ্গ উত্থানে সমস্যাটিই প্রকট সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে । এই সমস্যাটি নানাবিধ কারনে হতে পারে। তবে এটা জেনে রাখা দরকার যে আমাদের সমাজের মানুষের বেলায় দেখা গেছে এর বড় একটা কারন হলো মনস্তাত্বিক, এছাড়া কিছু হরমোনের অভাব অথবা মস্তিস্কের রোগের কারনেও এমনটি হতে পারে। পুরুষাঙ্গের ধমনি সরু হয়ে যাওয়া কিংবা শিরার যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত ধারণ করতে না পারাটাও এমন সমস্যার জন্ম দেয়।
এবার পুরুষের যৌন দূর্বলতা সৃষ্টির পেছনে নিচের কয়েকটি কারণ লক্ষ্য করুন :-

  • আমাদের দেশে ছেলেরা অল্প বয়স থেকেই নানা প্রকার যৌন অনাচারে লিপ্ত হয়ে যখন বিয়ের বয়স হয় তখন দেখা যায় তার নানা প্রকার যৌন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে এবং তার সাথে তীব্র যৌন দূর্বলতা তো থাকেই।
  • মানুষের  বয়স বাড়ার সাথে সাথে শারীরবৃত্তীয় এবং মানসিক যেসব পরিবর্তন হয় তা অনেক সময় এতে প্রভাব ফেলে অর্থাৎ পুরুষের যৌন দূর্বলতার সৃষ্টি করে থাকে।
  • কিছু কিছু রোগের কারনে পুরুষের এমন সমস্যা হতে পারে যেমন- ডায়াবেটিস হওয়া, স্থুলতা, অন্য এন্ডোক্রাইন বা হরমোনের সমস্যা দেখা দেয়া, প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হওয়া ইত্যাদি।
  • ধুমপান একদম প্রত্যক্ষ ভাবে লিঙ্গত্থান ব্যর্থ হবার একটি বড় কারন।
  • মেরুদন্ডের অভ্যন্তরে যে মজ্জা থাকে (spinal cord) তাতে আঘাত পেলে কিংবা তা রোগাক্রান্ত হলেও এমন সমস্যা দেখা দেয়।
  • এ ছাড়া ডিপ্রেসন, এঙ্গার কিংবা বিভিন্ন মানসিক চাপ বা উত্তেজনার কারনেও লিঙ্গোত্থানে সমস্যা দেখা দেয়।
  • পুরুষাঙ্গের নিকটবর্তী স্থানে রেডিওথেরাপী দিলেও এমন সমস্যা হতে পারে।
  • কিছু কিছু মেডিসিন আছে যা পুরুষের অমন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, এর মধ্যে আছে মানসিক রোগের মেডিসিন, কিছু স্টেরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের মেডিসিন, নেশা উদ্রেককারী মেডিসিন যেমন কোকেন, গাজা, অধিকমাত্রায় এলকোহল সেবন ইত্যাদি।
কার্যকর চিকিৎসা :- 
আজকাল অনেক অসাধু ব্যক্তিদের দেখা যায় দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ব্লগে এবং ওয়েবসাইটে পুরুষের যৌন দূর্বলতা দূরীকরণে ভায়াগ্রা এবং সিলডেনাফিল এর মত মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী ঔষধ ক্রয় করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। অথচ এই ঔষধগুলি একেবারে সেক্সলেস অবস্থায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসকরা অতি সাবধানতার সাথে প্রেসক্রাইব করে থাকেন। কারণ এইগুলি অনেকের ক্ষেত্রে এতটাই মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে যে সেবনকারী হৃদপিন্ডের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারাও যেতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো এইগুলি পুরুষের যৌন দূর্বলতা সমস্যার কোনো সমাধানই করে না। শুধুমাত্র লিঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য রক্তের গতি বাড়িয়ে এটাকে উত্তেজিত করে রাখে অর্থাৎ আপনাকে সারা জীবন ধরেই এই ঔষধ খেয়ে যেতে হবে। আর এক সময় দেখবেন আপনার যৌন জীবন তথা পুরু জীবনেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের কালো অন্ধকার নেমে এসেছে।
অথচ পুরুষের যৌন দূর্বলতা যে কারণেই সৃষ্টি হোক না কেন যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় খুব সহজেই এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এখানে নেই কোনো প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। অল্প কিছু দিনের প্রপার হোমিও চিকিত্সাতেই যৌন দূর্বলতা সৃষ্টি হওয়ার পেছনে যত কারণ থাকে সব গুলিই একেবারে মূল থেকে নির্মূল হয়ে যায় এবং শরীরে আবার আগের মত সুস্থ অবস্থাটা তৈরী হয়ে যায়। তখন আর কোনো ঔষধই খাওয়ার দরকার পড়ে না। দৈনন্দিন স্বাভাবিক খাবার দাবার থেকেই আগের মত যৌন শক্তি সঞ্চিত হতে থাকে। তাই যৌন সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যায় সবার আগে হোমিওপ্যাথিকে অগ্রাধিকার দিন। অন্তত এটা বলতে পারি, ট্রিটমেন্টটা যদি যথাযথ হয় তাহলে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিয়ে কেউ ঠকবেন না।